এফিলিয়েট মার্কেটিং কি ? কিভাবে এফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করবেন ? এবং লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করবেন ?

ঘরে বসে টাকা আয় করার অন্যতম একটা মাধ্যম হল এফিলিয়েট মার্কেটিং (Affiliate marketing)। এফিলিয়েট মার্কেটিং করে অনেকে হাজার হাজার ডলার ইনকাম করছে। আপনিও একটু চেষ্টা করলেই এফিলিয়েট মার্কেটিং করে টাকা আয় করতে পারবেন।

এ জন্য আপনাকে জানতে হবে এফিলিয়েট মার্কেটিং কি? কিভাবে কাজ করে? কিভাবে এফিলিয়েট মার্কেটিং শিখবেন? কিভাবে এফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করবেন? কিভাবে এফিলিয়েট মার্কেটিং করে টাকা আয় করা যায়? ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে এই পোস্টে।

এফিলিয়েট মার্কেটিং কি? (What is Affiliate Marketing?)

আপনি কি জানেন ? এফিলিয়েট মার্কেটিং (Affiliate marketing) হল এমন একটি উপায় বা মাধ্যম যার সাহায্যে যেকোনো কোম্পানির বা ব্যক্তির যেকোনো (Digital or Physical) পণ্য বা সেবা বিক্রি করে যে কমিশন পাওয়া যায় সেটাই এফিলিয়েট মার্কেটিং। অর্থাৎ যে সব পণ্য বা সেবার এফিলিয়েট প্রোগ্রাম চালু আছে সেই সব পণ্য বা সেবা বিক্রি করার পর বিক্রেতাকে যে কমিশন দেওয়া হয় সেটাই হল এফিলিয়েট মার্কেটিং।

এফিলিয়েট মার্কেটিং কাকে বলে? (what is affiliate marketing bangla)

বর্তমানে অনলাইন ভিত্তিক জনপ্রিয় একটি কাজ হল এফিলিয়েট মার্কেটিং। অন্ন্যের পণ্য বা সেবা অনলাইন অথবা অফলাইনে বিক্রি করে যে কমিশন অর্জন করা হয় এক কথায় তাকেই এফিলিয়েট মার্কেটিং বলে।

এফিলিয়েট মার্কেটিং কেন করবো? (why do affiliate marketing)

আপনি কি জানেন ? এফিলিয়েট মার্কেটিং করে সহজে টাকা ইনকাম করা যায় আর এফিলিয়েট মার্কেটিং কেন করবেন তার পেছনে বহু কারন আছে। কারন গুলো বিস্তারিত বলার চেষ্টা করবো তবে আমি আগে এফিলিয়েট মার্কেটিং এর বিশেষ কিছু সুবিধা এবং অসুবিধা (advantages and disadvantages of affiliate marketing) নিয়ে আলোচনা করবো। কারন এফিলিয়েট মার্কেটিং এর সুবিধা এবং অসুবিধা নিয়ে আলোচনা করলে আপনারা অনেক কিছুই ধারনা হয়ে যাবে তখন বুঝতে পারবেন যে আপনি কেন এফিলিয়েট মার্কেটিং করবেন ।  

এফিলিয়েট মার্কেটিং করার সুবিধা (advantages of affiliate marketing)

আমার কাছে এফিলিয়েট মার্কেটিং এর সুবিধাই বেশি মনে হচ্ছে। নিচে কিছু পয়েন্ট তুলে ধরা হলঃ

১। এফিলিয়েট মার্কেটিং হল সম্পূর্ণই প্যাসিভ ইনকাম মডেল। প্যাসিভ ইনকাম বলতে যে কাজ আপনি একবার করে রাখলে প্রায় সারা জীবনই ইনকাম হতে পারে এমন কাজকে বুঝায়। তাই আপনি যদি একবার ভালভাবে কাজ করে রাখতে পারেন তাহলে সারা জীবনই ইনকাম করার সুবিধা পেতে পারেন।

২। নিজের পণ্যের দরকার হয় না এফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য । যে কারো পণ্য নিয়ে কাজ করা যায় ।

৩। ফ্রি এবং পেইড দুই ভাবেই করা যায় এফিলিয়েট মার্কেটিং । ফ্রি ভাবে করলে নিজেকে একটু বেশি সময় ও শ্রম দিতে হবে আর পেইডে একটু কষ্ট কম হয় ।

৪। স্বাধীনভাবে ঘরে বসে কাজটি করতে পারা যায় । আপনি ঘরে বসে যখন খুশি, যেমন খুশি, নিজের ইচ্ছামত কাজ করতে পারবেন। আপনি চাইলে ভ্রমণে থেকেও কাজ করতে পারবেন।

৫। এই সেক্টরে একবার সফল হয়ে গেলে আপনাকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হবে না । ইনকাম নিয়ে কোন চিন্তা করতে হবে না । আপনি শুধু কাজ করবেন আর এফিলিয়েট কমিশন আপনার একাউন্টে জমা হবে।

৬। এফিলিয়েট মার্কেটিং করে যদি ভালো মানের টাকা ইনকাম হয় তাহলে আপনি এফিলিয়েট মার্কেটিং কে ফুলটাইম ক্যারিয়ার হিসাবে নিতে পারবেন । তখন আর অন্য কারো অধীনে চাকরি করতে হবে না ।  

৭। এফিলিয়েট মার্কেটিং এ দক্ষতা অর্জন করলে বিভিন্ন কোম্পানির কাছে আপনার বিশেষ কদর থাকবে।

এফিলিয়েট মার্কেটিং করার অসুবিধা (disadvantages of affiliate marketing)

এফিলিয়েট মার্কেটিং করার ক্ষেত্রে খুব বেশি অসুবিধা নাই তবে কিছু কিছু বিষয় রয়েছে যেমনঃ

১। শুরুর দিকে এফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য কিছু ইনভেস্ট করার প্রয়োজন হয়।

২। খুব বেশি মানুষ সফল হয় না । তবে প্রচন্ড খাটাখাটনি করতে হবে এবং নিয়মিত কাজ করে যেতে হয় তবেই সফল হতে পারে।

এফিলিয়েট মার্কেটিং বাংলাদেশ (Affiliate marketing in bangladesh)

অনলাইনে থেকে টাকা আয়ের সবচেয়ে বড় উপায় হচ্ছে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। বর্তমানে অনেক মানুষ আছে যারা হাজার হাজার ডলার ইনকাম করছে বাংলাদেশ থেকে। ব্লগ লিখে অ্যাফিলিয়েট মাকের্টিং ওয়েবসাইট তৈরি করে বিভিন্ন প্রোডাক্ট এর রিভিউ বানিয়ে অনেক ডলার ইনকাম করছে এবং ওয়েবসাইট গুগল অ্যাডসেন্সসহ বিভিন্ন অ্যাড নেটওয়ার্কের মাধ্যমেও টাকা আয় করছে।

এছাড়া ফেসবুক, ইউটিউব সহ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে ইনকাম করছে বাংলাদেশেরও অনেক ওয়েবসাইট আছে যেগুলো থেকে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে ইনকাম করা যায় । যেমন, bdshop.com, daraz.com

এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে কাজ করে ? (how to work affiliate marketing)

চলুন দেখে নেই এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে কাজ করে । কোন পণ্য বা সেবার মালিক প্রথমে তাদের পণ্য বা সেবা বিক্রি করার জন্য এফিলিয়েট প্রোগ্রাম চালু করেন। যারা তাদের পণ্য বা সেবা বিক্রি করার উদ্দেশ্যে তাদের ওয়েবসাইট অথবা সফটওয়্যার বা আপসে একাউন্ট তৈরি করে তখন তাদের একাউন্ট এর আইডির ভিত্তিতে পণ্য বা সেবার একটা ইউনিক লিঙ্ক তৈরি হয় ।

সেই লিঙ্ক থেকে যদি কেও ঐ পণ্য বা সেবা কেনে তাহলে আপনার লিঙ্ক থেকে ঐ প্রডাক্ট বিক্রি হওয়ার কারনে আপনাকে কিছু কমিশন দেওয়া হবে।

এফিলিয়েট মার্কেটিং চারটি পক্ষ নিয়ে কাজ করে যেমনঃ

১. যে ব্যক্তি কমিশনের উদ্দেশ্যে পণ্য বা সেবা সম্পর্কে মানুষকে জানাচ্ছে তারা হল এফিলিয়েট মার্কেটার ।

২. যে ব্যক্তি পণ্য বা সেবা তৈরি করে বা বিক্রি করে সে হল সেলার।

৩. পণ্য বা সেবার সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য যে নিয়ন্ত্রণ করে সে হল নেটওয়ার্ক।

৪. সর্বশেষে যে পণ্য বা সেবা ক্রয় করে সে হল  কনজ্যুমার।

এফিলিয়েট মার্কেটিং করে কিভাবে আয় করা যায়?

একজন এফিলিয়েট মার্কেটার বিভিন্ন উপায়ে আয় করতে পারে যেমন এফিলিয়েট লিংক ব্যবহার করে আয় করতে পারে। যদি কোন ক্রেতা টার লিংক থেকে কোন পণ্য বা সেবা ক্রয় করে তাহলে সেই সেল অনুযায়ী কমিশন দেওয়া হবে। আবার পার ক্লিক থেকেও আয় করতে পারবে। যদি কেও লিংক এ ক্লিক করে ওয়েবসাইট ভিজিট করে তাহলে তাকে পেমেন্ট করা হয়। এ ক্ষেত্রে পণ্য বা সেবা বিক্রি করার দরকার হয় না।

আবার একজন এফিলিয়েট মার্কেটারের মাধ্যমে জেনারেট করা লিড এর জন্য পেমেন্ট করে থাকে।

আরো পড়ুন ঃ ইউটিউব থেকে টাকা আয় করার সহজ পদ্ধতি

এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবো (How to start Affiliate marketing)

আপনি যখন জেনে গেলেন যে  এফিলিয়েট মার্কেটিং কি তখন হয়তো আপনার মনে প্রশ্ন জাগে এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে শুরু করব? এফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করারবিভিন্ন পদ্ধতি রয়েছে তার মধ্যে থেকে আপনাকে অবশ্যই সহজ পদ্ধতি খুজে বের করতে হবে আর মার্কেটিং সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে। তবে কিছুদিন কাজ করার পর সব কাজ সহজ হয়ে যাবে।

আপনাকে কাজের প্রতি যত্নশীল হতে হবে এবং প্রতিনিয়ত কাজ করে যেতে হবে নতুবা এফিলিয়েট মার্কেটিং আপনার জন্য কঠিন হয়ে পড়বে।

এফিলিয়েট মার্কেটিং এর প্রথম ধাপ হচ্ছে ভাল কোন সাইটে মেইল দিয়ে এফিলিয়েট প্রোগ্রাম এ সাইন আপ করতে হবে তারপর আপনি যে পন্য বা সেবা নিয়ে এফিলিয়েট করতে চান অথবা আপনি যেসব পন্য বিক্রয় করতে চান সেই সব পণ্য বা সেবা নির্বাচন করবেন। অবশই পণ্য বা সেবা সঠিক ভাবে নির্বাচন করবেন অর্থাৎ যে সব পণ্য বা সেবা সম্পর্কে আপনার ভালো ধারণা আছে সেই সব পণ্য বা সেবা সিলেক্ট করবেন

আর যে পন্য বা সেবা বিক্রি করবেন সেই পন্য বা সেবা কাদের জন্য বা কোন বয়সের মানুষের জন্য এবং এই পণ্যটি কাদের জন্য বেশি প্রয়োজন সেটা বিবেচনা করে পণ্য সিলেক্ট করতে হবে এবং সেই অনুসারে মার্কেটিং করতে হবে।সাইন আপ করার পর আপনার একাউন্ট এপ্রোভ হলে আপনার একাউন্টের আইডির ভিত্তিতে প্রডাক্ট গুলোর ভিন্ন ভিন্ন কোডের লিংক হবে সেই সব লিংক নিয়েই আপনাকে মার্কেটিং করতে হবে।

এখন আপনার মনে একটা প্রশ্ন জাগতে পারে যে আমি লিংক গুলো কথায় মার্কেটিং করবো ?

চলুন তাহলে কিভাবে এফিলিয়েট মার্কেটিং করবেন সে বিষয়ে কিছু আইডিয়া শেয়ার করি।

ইউটিউবে এফিলিয়েট মার্কেটিংঃ বর্তমানে সব চেয়ে সহজ এবং বেশি টাকা ইনকাম করার অন্যতম মাধ্যম হল ইউটিউব। ইউটিউবে একটা চ্যানেল খুলবেন তারপর আপনার এফিলিয়েট প্রডাক্টের ভিডিও বানিয়ে চ্যানেলে আপলোড করতে থাকেন এবং ভিডিও ডেসক্রিপশনে আপনার এফিলিয়েট প্রডাক্টের লিংক শেয়ার করে দেন।

কেও যদি আপনার ভিডিও দেখে ডেসক্রিপশন থেকে লিংকে ক্লিক করে পণ্য বা সেবা ক্রয় করে তাহলে আপনি কমিশন পেয়ে যাবেন।

আরো পড়ুন ঃ স্মার্টফোনের গতি বাড়ানোর ১৪ টি সহজ উপায়।

ব্লগিং করে এফিলিয়েট মার্কেটিংঃ আরেকটা সহজ এবং গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হল ব্লগিং। ব্লগিং আপনি ফ্রিতেও করতে পারেন আবার পেইডও করতে পারেন। যেমন আপনি যদি ফ্রি ওয়েবসাইট বানান তাও চলবে আবার আপনি যদি পেইড থিম, প্লাগিং এবং ডোমেইন, হোস্টিং দিয়ে করেন তাহলে একটু বেশি ভাল হবে।আপনি ব্লগে যেকোনো প্রডাক্ট নিয়ে লেখা লেখি করতে পারেন। পণ্য বা সেবার রিভিও তৈরি করতে পারেন এবং সেই ব্লগের কনটেন্ট এর মাঝে এফিলিয়েট লিংক প্রোমোট করে দিবেন।  

ফেসবুকে এফিলিয়েট মার্কেটিংঃ চলতি সময়ে বহু মানুষ ফেসবুকের মাধ্যমে এফিলিয়েট মার্কেটিং করে হাজার হাজার ডলার ইনকাম করছে। আপনার ফেসবুক প্রোফাইল অথবা ফেসবুক পেজ খুলে সেখানে প্রডাক্ট সম্পর্কে বর্ণনা দিয়ে পোস্ট দিতে পারেন আর সেই পোষ্টের মাঝে এফিলিয়েট লিংক শেয়ার করে দিবেন।

ইমেইলের মাধ্যমে এফিলিয়েট মার্কেটিংঃ যারা এফিলিয়েট মার্কেটিং করে সফল হয়েছেন তাদের অধিকাংশ মানুষ ইমেইল মার্কেটিং করে সফল হয়েছেন। তাই এফিলিয়েট মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে ইমেইল মার্কেটিং এর গুরুত্ব অপরিসীম। আপনি বিভিন্ন উপায়ে ইমেইল সংগ্রহ করে তাদের প্রডাক্টের রিভিউ টেম্পলেট আকারে বানিয়ে মেইল করতে পারেন এবং সেই মেইলের ভিতর অবশ্যই আপনার প্রডাক্টের এফিলিয়েট লিংক বসিয়ে দিবেন।  

এফিলিয়েট মার্কেটিং এ সফল হতে হলে অবশ্যই মার্কেটিং সিস্টেম ভালভাবে জানতে হবে। আপনি পণ্য বা সেবা নির্বাচন করার পরে টার্গেট ট্রাফিক নিয়ে কাজ করতে হবে এবং পণ্য বা সেবা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে মার্কেটিং করতে হবে।যেমন, ফেসবুক, টুইটার, ইন্সট্রাগ্রাম, ইউটিউবসহ বিভিন্ন প্রকারের সাইট।

আপনি চাইলে ব্যানার তৈরি করে এডও দিতে পারেন। এভাবেই আপনি এফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করতে পারেন।

এফিলিয়েট মার্কেটিং ওয়েবসাইট (Best affiliate marketing websites)

পৃথিবীতে বিভিন্ন বিষয়ের উপর লাখ লাখ ওয়েবসাইট রয়েছে তার মধ্যে থেকে কিছু Best affiliate marketing websites list নিচে দেওয়া হলঃ

E-Commerce Affiliate marketing websites

  • Amazon Associate
  • Aliexpress
  • eBay
  • Click bank

Web Hosting Affiliate marketing websites

  • Namecheap
  • GoDaddy
  • Hostinger
  • Hostgator

Marketing and Blogging Affiliate marketing websites

  • SEMRush
  • Elementor
  • Envato
  • Elegant themes

Beauty and Fashion Affiliate marketing websites

  • Ulta beauty
  • Newchic
  • True religion
  • BeautyTap

Bangladeshi Affiliate marketing websites

এফিলিয়েট মার্কেটিং কোর্স (affiliate marketing course in bangladesh)

আপনি যদি এফিলিয়েট মার্কেটিং শিখতে চান তাহলে একাটা কোর্স করা প্রয়োজন তবে আপনি চাইলে ফ্রি ভাবেও এফিলিয়েট মার্কেটিং শিখতে পারবেন।

ফ্রিতে এফিলিয়েট মার্কেটিং শিখতে একটু কষ্ট হবে তবে আপনি পারবেন যদি নিয়মিত চেষ্টা করেন।বর্তমানে ইউটিউব, ফেসবুকসহ বিভিন্ন প্লাটফর্ম রয়েছে যেখানে আপনি ফ্রিতে সব শিখতে পারবেন।

এখন হয়তো আপনি ভাবছেন একটা এফিলিয়েট মার্কেটিং কোর্স করা দরকার কিন্তু কোথায় এবং কিভাবে করবেন? এ বিষয়ে আমি বলবো অফলাইনে কোন ইন্সিটিউট অথবা রানিং কেও এফিলিয়েট মার্কেটিং করছে এমন মানুষের কাছ থেকে শেখাটাই ভাল

তবে আপনার ইচ্ছা থাকলে অনলাইনেও ভাল করবেন। কিন্তু ভাল করে দেখে শুনে বুঝে কোর্স করবেন কারন এখন অনেকেই হয়তো সরলতার সুযোগ নিতে পারে। আপনি প্রতারিত যেন না হন।

এফিলিয়েট মার্কেটিং এর সাথে জড়িত আপনার মনের লুকায়িত কিছু প্রশ্নের উত্তর।

এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে কি কি লাগে?  

একটা কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট সুবিধা থাকলেই এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে সুবিধা হবে। বাকি কাজ আপনাকে শিখতে হবে।

এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে কত টাকা লাগে?

এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে কত টাকা লাগে এই কথাটার উত্তর শিউর করে বলা যাবে না। আপনি চাইলে ফ্রিতেও করতে পারবেন আবার পেইডও করতে পারেন।বর্তমানে অনেক ফ্রি রিসোর্স আছে সেগুলো দিয়ে প্রথমে শুরু করতে পারেন।

এফিলিয়েট মার্কেটিং কি হালাল?

এটা হালাল নাকি হারাম এ বিষয়ে আমার কোন কিছু জানা নাই। বিস্তারিত জানতে হলে বিজ্ঞ আলেমের কাছে জেতে হবে।

মোবাইল দিয়ে এফিলিয়েট মার্কেটিং

মোবাইল দিয়ে এফিলিয়েট মার্কেটিং করা যাবে তবে কাজ করার সময় বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় পরতে হবে এবং সব ধরনের কাজ মোবাইল দিয়ে করতে পারবেন না। সাকসেস হওয়ার সম্ভাবনাও কম।

এফিলিয়েট মার্কেটিং করে কত টাকা আয় করা যায়?

এই প্রশ্নের উত্তরে আমি বলবো, এফিলিয়েট মার্কেটিং করে কত টাকা আয় করা যায় এটা বলা সম্ভভ না। যে যত বেশি কাজ করবে, ধৈর্য ধরে লেগে থাকবে, যত বেশি মার্কেটিং করবে ততবেশি সেল হবে। আর সেল বেশি হলেই তার উপর ভিত্তি করে টাকা আয় হবে। 

এফিলিয়েট মার্কেটিং এর জন্য বিক্রেতা কিভাবে পেমেন্ট দেয় ?

বিক্রেতা বিভিন্ন অনলাইন উপায়ে পেমেন্ট দেয় ধরেন, অনলাইন এবং অফলাইন সিস্টেমে পেমেন্ট দেয়। যেমন, Paypal, Peyeneer, Bank ইত্যাদি।

সবশেষে আমাদের কিছু কথা,

এফিলিয়েট মার্কেটিং এ নিজেকে প্রতিষ্ঠিত ভালভাবে শিখতে হবে তারপর আপনাকে সঠিক নিশ সিলেক্ট করে নিয়মিত কাজ করতে হবে, নিউ আইডিয়া জেনারেট করতে হবে, লেগে থাকতে হবে, গোল সেটআপ করতে হবে, মার্কেটিং সিস্টেম বুঝতে হবে, বেশি বেশি মার্কেটিং করতে হবে।

কাজ করতে করতে প্রচুর ফলোয়ার হবে, ভিজিটর আসবে, বেশি সেল হবে আর সেল হলেই টাকার কোন সীমা থাকবে না।

এই পোস্ট যদি আপনাদের ভাল লাগে তাহলে অবশ্যই শেয়ার করে দিবেন এবং নিয়মিত আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করে সঙ্গে থাকবেন। ধন্যবাদ।

আরো পড়ুন ঃ

আমি ফুয়াদ আলম, আমি কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং এ পড়াশোনা করেছি এবং চাকরী করি তাই বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে টেকনোলজির খুঁটিনাটি এবং বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করার চেষ্টা করবো। সেই সাথে অনলাইনে কিভাবে ইনকাম করা যায় সে বিষয়ে ধারনা দেব। আশা করি সবাই সঙ্গে থাকবেন।

Sharing Is Caring: